Saturday, July 4, 2015

সনেট

একটা সনেট লেখলাম !
দোলদোল দলোনি 
নাঙ্গা মাথায় চিরুনি
বর পালাবে যখনি
টের পাইবা তখনি
এলোওওওওওনা
বেলোওওওওওনা
গাঁজাপাতার ঝুম
সালেকা মালেকা বাকবাকবাকুম ।
ওরে সালেকা ওরে মালেকা ওরে
ফুল্বানু পারবিনা বাঁচাতে
বাক বাকুম পায়রা মাথায় দিয়ে
টায়রা (টায়রা বালটা কি ?)
বউ সাজবে কালকি
তাতে আমার বালকি
টু লিটল ব্লাক বার্ডস
সিটিং অন এ অয়াল
ওয়ান নেইমড ইলিশ
ওয়ান নেইমড বোয়াল
দিনের শেষে,
রঙ্গিন বেশে,
বন্ধন আমাদের অটুট।
তুমি আমি আর ড্যানিশ,
হ্যাঁ ড্যানিশ
আমাদের ড্যানিশ।

বিদ্রোহ

গল্লিফের মায়রে নরেন্দ্র মোদী । আজকে থেইকা 'শেইখ' ধরমু ।
তাবৎ মহাকালের সমস্ত বিড়ির ধুয়া পরিবেশের যত ক্ষতি করছে ; তাবৎ কলকারখানা, গাড়িঘোড়া , জাহাজ-ট্রলার ১ ঘণ্টায় তারচে বেশি ক্ষতি করে । এরপরে উনারা পরিবেশ রক্ষা চুদান ২ টেকার বিড়িরে হাজারে বেইচা ।
যত হালারপুতে সুইসাইড করছে এক শালাও বিড়ি খায়না । উলটা আমরা পরিবেশ বাঁচাই মানুষ বাঁচাই । মানুষ নিকোটিন আপোষে না লইলেও আমরা ধুয়া ছড়ায়া তাদের সুইসাইড থেইকা বাঁচাইয়া জনকল্যাণ করি বাল ।
এই দেশে বিড়ি নিয়া একরকম খাউজ উঠছে । পানি নাই ? বিড়ির দাম বাড়াও ; বিদ্যুৎ নাই ? বিড়ির দাম বাড়াও । বউ বাপের বাড়ি গেছেগা ? বিড়ির দাম বাড়াও । বিচি কান্ধে উইঠা গেছেগা ? বিড়ির দাম বাড়াউ !
আর বালছাল কাউয়ার সংখ্যারে কম্পিটিশন দেওয়া লুতুপুতু ফটোগ্রাফাররা এইটা দেখো । এর নাম ফটোগ্রাফি । প্রতি পিক্সেলে 'বিদ্রোহ' ঝইড়া পড়তেছে ।

বেয়াদপ সাকিব

কেবল উৎসাহ দিলেই হয়না ; উৎসাহ দেওয়ার মত একটা অবস্থানও থাকতে হয় । যদি তা-ই হয় শুধু বাংলাদেশ না বিশ্বক্রিকেটে সেই অবস্থানের চূড়ায় আছে সাকিব আল হাসান ।
জুবায়েরের প্রতি সংবাদ সম্মেলনে তার মন্তব্য - ''আমার মনে হয় জুবায়ের এমন একজন স্পিনার যার ৩০০-৪০০ উইকেট নেওয়ার মত ক্ষমতা আছে। আমরা এই দেশেই বেশি ম্যাচ খেলব, জিতবো; আর জিততে হলে উইকেট নিতে হবে। আর বাংলাদেশে উইকেট নিতে হলে আমিতো লিখনের চেয়ে ভাল বোলার আর দেখি না।''
একটা ন্যাশনাল টিমের প্লেয়ারের ঘরোয়া ক্রিকেটব্যবসায় যায়গা হইতেছেনা , ব্যবসার কারণে প্র্যাক্টিসের সুযোগ হইতেছেনা তার পক্ষে টিমের কেউর না কেউরতো মুখ খোলা দরকার । মুখটা খুলছে সেই বিশ্ববেয়াদপ সাকিব । এমনিতে সাকিব উৎসাহ দিলেও ঠিক এইভাবে ৩-৪শ উইকেটের কথা কখনো বলেনাই । বোঝাই যাচ্ছে এই এই বিরল প্রতিভারে নষ্ট করার সমস্ত রঙমঞ্চ যখন প্রস্তুত তখন একটু বেয়াদবি করার সুযোগ ছাড়েনাই ।
এই বেয়াদপটা বিশ্বকাপের সময় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে রুবেল যখন মিথ্যামামলা আর দুনিয়ার সুশীল নারবাদির মিথ্যা আক্রমণ মাথায় নিয়া লড়ছে তখন রুবেলরে বলছে -'' রুবেল, জীবনের সেরা ছয়টা বল কর। তোর দিকে সারা বাংলাদেশ শুধু না, সারা পৃথিবী চেয়ে আছে। মানুষ দলের জন্য বল করে, ম্যাচ জেতানোর জন্য বল করে; তুই নিজের জীবনের জন্য বল কর। তুই যদি পারিস, সারা জীবনের জন্য মানুষ তোকে মনে রাখবে।''
মানুষ মনে রাখছে,রাখবে । সেই রুবেলের টেস্ট একাদশে যায়গা হয়নাই এই নোংরামির কি জওয়াব আছে হাতুড়িসিঙ্ঘির কাছে ? বেয়াদপটার মেইল ফাঁস কৈরা ছেঁচড়া পলিটিক্স কৈরা সাকিবরে ৬ মাস নিষিদ্ধ কৈরা দলরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে হারানোর কি জওয়াব আছে তার কাছে ? যেই রুবেলের আছে ৬ বছর বাংলাদেশের সেরা পেসার থাকার অভিজ্ঞতা , আছে অসংখ্য ম্যাচজয়ি পারফরমেন্স , আছে ব্রিটিশদের বিপক্ষে এমন দুইটা রিভার্স স্যুইং যার মূল্য পয়সা দিয়া হয়না ; ইন্ডিয়ার চুরি চামারির মূল্য পয়সা দিয়া হয় ; সেই রুবেলরে ফিট পায়া মাশরাফি নাই এমতাবস্থায় বসায়া রাখার কি মানে আছে ?
হ্যা যখন দিনের পর দিন শ্রীলংকা সিরিজে আমাপায়ারেরা চুরি কৈরা যাইতেছিলো কি বাল ছিড়ছিলা তখন তুম্রা ? যখন ইন্ডিয়া জিতা বিশ্বকাপটা চামারি কৈরা হারায়া দিছে তখন তমাগো এইসব নিয়মতান্ত্রিকতা কই ছিলো ? বেয়াদপ সাকিব এমন সময় সারা পৃথিবীর সামনে মেশিন দেখায় । ম্যাচের তোয়াক্কা না কৈরা মনের সুখে বাইড়ায় । দেশে এমন বেয়াদপের দরকার আছে । এমন বেয়দপের জন্যই এখনো খেলা দেখি । সে বেয়াদবি করে , কারণ সে চুরির পয়সা গিল্যা সুশীলতা চুদায় না । তোমরা ব্যবসা করো , চুরি করো , দেশের স্বার্থ না ভাইবা নিজের আখের গুছাও , চামারি ঢাকতে মাইনসের সামনে সুশিলতা চুদাও । আর সময় সুযোগমত সাকিবরা তোমাদের মেশিন দেখায়ে দেয় । ওইটার অভাবেইতো তোমরা চামারি করো ।

কপিপেস্ট

ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টিজ তোমার বাবার সম্পত্তি নহে বতস যে বিনা ক্রেডিটে কপিপেস্ট কৈরা ছাইড়া দিবা । বাস্তবতা হইছে তোমার ব্যাক্কইলা মাথার পিছে কোটি টেকা খরচা করলেও দুই লাইন লেখবার পারবানা । তুমি সকালে উইঠা এই মহাকালের পরম প্রকৃতির মুগ্ধতায় বলতে পারোনা -
আজি এ প্রভাতে রবির কর
কেমনে পশিল প্রাণের 'পর,
কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাতপাখির গান!
না জানি কেন রে এতদিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।
রবীন্দ্রনাথ পারে , এমননা এর জন্য সে শব্দ আর বাংলা ব্যকরনের ঝুলি খুইলা বসছে , এমননা যে তার মাথা তোমারতে ভালো ; সে প্রকৃতির সৌন্দর্য সেইভাবে ফিল করছে যেইটা তুমি আমি পারিনাই । আর কোটি টাকা দিয়া তুমি এই বিদ্যা কিনতেও পারবানা । তুমি যখন লুঙ্গি কাছা দিয়া চেগায়ে মাছ বেচতে বাছ ধরতে দৌড় দিছো তখন হয়ত কবি ব্যাটায় একটা নির্ঘুম রাইত ডাস্টবিনে ফেইলা নেশার মত শব্দের সাথে শব্দ বুনতেছে , বাক্যের সাথে বাক্য । রেস্পেক্ট দিলে তুমিও এই সুন্দর শব্দগুলার অংশ হইবা আর না দিয়া যাগা বেজায়গায় চুর হইবা । দেশে ছাগলের সংখ্যা বেশি বিধায় এই চুরি ধরা পড়বেনা , কিন্তু তা দিয়া নিজের নির্বোধ চেতনারে কেম্নে ঢাকবা ?
ফেসবুকে শেয়ার অপশন আছে , সেইটা ভালো না লাগেনা অনেকের তাই ক্রেডিট দেয় , সেইটা ভালো না লাগলে লেখে সংগৃহীত । ফটোগ্রাফিতে ফটোগফুর না লেইখা লেখে পিসি - অমুক । অবশ্য এইসব ছেড়িগ্রাফারদের এইটাই প্রাপ্য ।
এইটা আমার কোন কিছু কপিপেস্টের জন্য বলতাছিনা , অনেক গুণী মানুষ অনলাইনে আছে , যারা খুব ভালো আইডিয়া শেয়ার করে । আমি প্রতিনিয়ত নানা কিসিমের পাব্লিক ফলো করি । হ্যা একটা ব্যাপার আছে সাম্প্রতিক কিছু ব্যাপার নিয়া তোমার চিন্তার সাথে সম্পূর্ণ অপরিচিত আরেকজনের চিন্তা মিলতেই পারে ; কিন্তু লেখার মৌলিকত্ব স্বকীয়তা এইগুলা ইউনিক ; সবাই এই জায়গাটায় আলাদা হয়া যায় । এদের আবার ধরাটা কঠিন কারণ আইডিয়া চুরি করতেও পারে নাও পারে ; এখানেও ব্যাপার আছে , কিছু আইডিয়াও লেখার মতই মৌলিক ; এক্ষেত্রে তাঁদের পোস্টের সময়গুলা দেখলেই ক্লিয়ার । কপিপেস্টরা যা করে ফুল ফটোকপি করে কাজেই এই বলদদের ধরা সোজা ।
অবজারভেশন ব্রিংস উইজডম । চারপাশটা দেখো , টিউব্লাইটের উপ্রের ভাবুক লেঞ্জাকাটা টিকটিকি , টেবিলের তলার মাকড়সা , ভেন্টিলেটরে বাসা করা চড়ুই পাখি , এম্নেই পারবা খুব সোজা ; জ্যাক লন্ডন নামে একটা খুব পছন্দের লেখক আছে যে পশুপাখি যেইভাবে ভাবে হুবহু সেইভাবে ভাবতে পারে ; দুইটা বইয়ের নাম দেই পড়তে পারো , হোয়াইট ফ্যাং , দ্য কল অফ দ্য ওয়াইল্ড । বইডি পড়লে তোমার মনে হবে আসলে বইটা কোন মানুষ লেখেনাই ; লেখছে কোন কুকুর ; শিল্প মামা শিল্প । তোমার তেল শেষ গাড়িতো চলবোনা , আরেকজনরে তেল চুরি করলে ধরাতো খাইবাই । চোখ বন্ধ রাখলে লালও কালা , ধলাও কালা । চোখটা খুলো ।
কি দেখছ ? আরে রাখো তোমার রবীন্দ্রনাথ আর জ্যাক লন্ডন খোদ সৃষ্টিকর্তাও শিরক সহ্য করেনা । তারে আনফ্রেন্ড ব্লক মাইরা পানিত চুবায় । ফাউল পোলাপান ।

সাত রাজার ধোন

আজকাল মোবাইল জিনিসটা খুবি ঝামেলার । কারণ আজকাল বেশিরভাগ মানুষেরই জিবনের একমাত্র সাত রাজার ধোন এই মোবাইল । মানে একটা ডিভাইসের মেইড ইন চায়না ব্র্যান্ড বা হউকনা ছাতার আইফুন , এইচটিসি যাখুশি ইত্যাদি তার যাবতীয় কুতুবির পরিচয় বহন করে । তার চউদারি বংশের সার্টিফিকেট । অইযে মুখে পয়লা বাল গজাইলে যেমন কিছু পোলাপান বাইক লয়া হুজ্জৎ করে এই টাইপের ; অইটা নিয়া আরেকদিন গ্যাজামু ।
সব দোষ হালারপো স্টিভ জবসের । অয় জানে ২০ কেজির সিপিইউ কান্ধে লয়া রাস্তায় হ্যাডাম কেউ লোবোনা বাইর করলো টাচস্ক্রিন । একটা ডেস্কটপের হার্ডওয়্যারের যেই ক্ষমতা আছে একটা ফোনের তার সিকিভাগ সেই ক্ষমতাও নাই , বড় কোন সফটওয়্যার সে রান করতে পারেনা ; ৫০ গিগার ওয়াচ ডগস গেইমের সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টতো দূরে থাক সেই মেমরিটাও নাই । চতুর এন্ড্রয়েড গেইম ডেভেলপাররা চালাকি কৈরা দিছে ৫০-৬০ এম্বির অনলাইন গেইম খাওয়াইয়া । ইয়েস স্ট্রাটেজিক গেইম অফকোর্স ; বাট সেই লেভেলের গ্রাফিক্স , স্পিড , ফিল তুমি পাইতাছোনা । টাচস্ক্রিন বানাইছছ ঠিকাছছে ; ফোন ৪-৫ ইঞ্চি সেইটাও ঠিগাছছে ; ধাপ কৈরা গেলিগা আইপ্যাডে । শুরু হইলো মোবাইল , আধা মোবাইল আধা আইপ্যাড ইত্যাদি ইত্যাদি । ৮ ইঞ্চি , ১০ ইঞ্চি , ১৫ , ৪২০ ইঞ্চি এলাহি অবস্থা ! এই বিশাল সেটগুলা ব্যাপক বিশ্রী ।
এই সস্তার বাটখাড়ার বড় সমস্যা হইছে এর কল্যাণেে সমস্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেট ছড়ায়া গেছে । সমস্যা না বইলা বলা উচিৎ এটলিস্ট এর কল্যাণে সারা পৃথিবীর উন্নত চিন্তাধারাগুলির সাথে একত্রিত হওয়ার একটা লিংক হয়ত এদের হাতে পৌছাইছে । ফলাফল কি যা আশা করছিলাম সেইটাই আসতেছে ? নাকি রাইতভর মুহুর্মুহু বিরহের কবিতা , অটোলাইক আর কোন কেব্লাবাবা চেতায়ে দিলেই যাচাই না কৈরা দৌড়ান দিতেছে ? আবার এইপাড়ে কিছু অতিজ্ঞানি উজবুক এইগুলারে হুদাই সুড়সুড়ি দিয়া খেপায়ে দিতেছে বিজ্ঞানমনস্কতার জোকারিতে । তাইলে দেখা যাচ্ছে ছুড়ি কোন শিক্ষিত (প্রাতিষ্ঠানিক বা স্বশিক্ষিত যেইটাই হউক) সে ফল কাটবো আর মূর্খের হাতে পড়লে খুন করবো । টেকনোলজি কার হাতে পড়তেছে এইটাও এক সমস্যা । যাউকগা বাদ দেই ।
আপনে রাস্তাঘাটে আপনার বাটখাড়া বাইর করছেন , কোন হালায় অসময়ে মিসকল মারলো দেখতে । দেখলেন পাশে আরেক ভদ্রলোক হাতের মুঠ শক্ত কৈরা খিচ দিয়া তাকাইয়া আছে - মানে ''পেয়ার হুয়া ইকরার হুয়া হ্যয় , পেয়ার সে ফির কিউ ডারতা হে দিল '' টাইপের গান বাজানিমাত্রেই বাটালি দিবো ।
না হইলেও আপনার বিরাট ডিভাইস কোন ছিন্তাইকারি ফলো করবে । মাইর হাল্কা দিয়া সেটটা রাইখা দিবে , দেন চাইনিজ ব্র্যান্ড দেইখা ফোন পুকুরে ফিক্কা দিয়া ফালায়ে এইবার শুরু করবো চাইনিজ ধোলাই ।
আগে যখন একটা ভাঙ্গারি সেট চালাইতাম (এহন চাইর ইঞ্চির সামছু চালাই) এমন দিনও গেছে কথা কইতে কইতে রিকশা ভাড়া করতেছি রিকশাওলা আমার ফকিরা সেটের দিকে চায়া জিগাইছে ''ভাড়া দিতে হইবো কিন্তু '' । আমিও বলতাম ''দে ভায়া , তর এরোপ্লেন আমি চালাইয়া দেই ''
আরও বিভিন্ন কারণে ছোট মোবাইল আমার পছন্দ । কারণ মোবাইল জিনিসটা বানাইছেই পকেটে রাহনের লেইগা । যেমন হেদিনকা দেখি এক ব্যাটায় রাস্তায় চ্যাগায়ে হাটতেছে । গবেষণা কৈরা পাইলাম , হালায় ব্যাপাক বাটখাড়া পকেটে লয়া ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারতেছেনা । ইউ নো , পিস্তলের লগে মোবাইল থাকলে যা হয় আরকি ! গেবন দুর্বিষহ !

মুস্তাফিজ

মুস্তাফিজের উত্থান বেশ ভালো মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি থেকে । সাতক্ষিরায় ছিমছাম একতলা বাড়ি , ভাই গ্রামীণফোনে চাকরি করে যে তারে মোটরসাইকেল দিয়া খেলতে নিয়া যাইতো , চাচা এমেরিকায় , বাপের মাছের ঘের আছে ; এছাড়াও সবগুলা বড় ভাইয়েরি আছে ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা । কথাগুলি বললাম কারণ বাংলাদেশের মিডিয়াগুলার একটা বাজে প্রবণতা হইছে প্রত্যেকরেই নিঃস্ব অবস্থা থেইকা উইঠা আসছে দেখানির প্রবণতা । আরেকদল আছে চেহারা বিশারদ ; কালা হইলে টোকাই আর সাদা হইলে সাহেবের জাত ।
মজার ব্যাপার ফ্যামিলির সাপোর্ট ছাড়া কেউ উইঠা আসেনা । ক্রিকেটারদের বেশিরভাগরে জিগাইলেই দেখবেন সবাইর আগে বলবে ফ্যামিলি সাপোর্টের কথা । আর দশটা ফ্যামিলি যখন পিটায়া পোলারে দুই পয়সার স্যালারির জন্য ২৫ বছর পড়াইছে , তার কোন শখের দাম দেয়নাই সেইখানে ক্রিকেটারদের ফ্যামিলি দিছে স্বাধীনতা, সাহায্য । ৯০% এর একি কাহিনি ; সবাই রফিক আশরাফুল না, তাঁদের অবস্থা থেইকা উইঠা আসার সম্ভাবনা খুব কম ।
যাই হউক ভিন্ন প্রসঙ্গের কথা বলি । সাকিব মাগুরায় হেলিকপ্টার দিয়া যাইতো তখন অনেকেই সাকিবরে বলছে অহংকারি , হ্যাডাম দেখায় হেন তেন ; এলাকায়তো গাড়িতে কইরাও আওয়া যায়, লোকদেখানি । আজকে দেখলাম মুস্তাফিজের এলাকাবাসির সাক্ষাৎকার । এক ছেলে বলতেছে - আমাদের মুস্তাফিজ একদিন বিশ্বকাপ খেলবে , একদিন হেলিকপ্টার দিয়া সাতক্ষীরায় আসবে ''
কি মনে হয় কথাগুলি ? রুপকথার রাজপুত্র যেমন ঘোড়ায় চইরা আসে ওই কন্সেপ্টেই এইসব সরল সোজা মানুষ মনে করে তাঁদের সবচে প্রিয় মানুষটা , গর্বের মানুষটা হেলিকপ্টারে চইরা আসুক । এইডা তাঁদের একটা শখ । গতবছর এক ইউটিউব ভিডিওতে দেখছিলাম এক বৃদ্ধা ফকিররে জিগাইছে তার শখের কথা । সে কইছে ভালো গাড়িতে চইড়া গুলশান ১ থেইকা গুলশান ২ এ যাইবো । এইটাই তার একটা শখ । শখের তোলা আশি টাকা ।

সহিহ নাস্তিকতা

আচিপ মগাছাগুদ্দিনের কামে মুসলমানেরাতো দূরে থাক খোদ নাস্তিকেরাই নাখোশ ।
সে মুসলমানের কাছেনা খোদ নাস্তিকের কাছেই মুনাফেক ।
যাই হউক আসিফ-তস্লিমা লেসবোদের কাহিনিতে অতিষ্ঠ সমকামি সমর্থক নাস্তিকেরা এখন কেঁদেকেটে বলছে ''এই নাস্তিকতা সহিহ নাস্তিকতা নহে । ''
''প্রকৃত নাস্তিকতা আজ ডাইনোসরের লুলুর ন্যায় বিলুপ্ত । হাড্ডি আছে মাগার লুলু নাই ; লুলু নাইতো কিছুইনাই ।‘’
যাদের অনলাইনে একটু রেগুলার যাতায়াত আছে তাদের জানা আছে এই নাস্তিক জোকারগুলা মাত্র কয়েকমাস আগে যখন আমরা বলতাম ''আমরা উগ্রতা সমর্থন করিনা'' তখন এই নর্দমার শুয়রগুলা ''এই ইসলাম সেই ইসলাম না'' নিয়া ব্যঙ্গাত্মক লেখালেখি করতো । দুনিয়ার সব কিছুর মধ্যে আসল আছে নকল আছে , সঠিক আছে ভেজাল আছে , শুদ্ধ আছে ভুল আছে , তেমনি মুসল্মানদের মাঝেও মুমিন আছে মুনাফিক আছে ।
তাঁদের চরম কুসংস্কারাচ্ছন্ন বেজ্ঞানধর্ম দিয়া ইসলামধর্মের কচুটাও ছিড়তে না পাইরা সব দিকদা ঠাডা চটকনা খায়া তারা মস্কারির পথ বাইছা নিলো । মস্কারি অনেক হক জিনিস নিয়াই করা যায় , তাতে সত্য হাল্কা হইয়া যায়না ।
আচিপ মগাছাগুদ্দিনের কাবা শরিফের ব্যাঙ্গ নিয়া সর্বপ্রথম যেই শুয়রটা বিরোধিতা করলো সে সেই শুয়র যে অনলাইনে '' এই ইসলাম সেই ইসলাম না'' কথার প্রচলন করছিলো । এরপর এই বিজ্ঞানমনস্ক শুয়রের ডাকে সব শুয়রেই হাম্বা হাম্বা কৈরা উঠলো । শুয়র কেম্নে হাম্বা ডাকে এই প্রশ্ন করবেন না ; বিজ্ঞানের মোজেজা আপ্নে কিছুই বোঝেন না মূর্খ মোল্লা !
মানে যার বিয়া তার খবর নাই , পাড়াপড়শির ঘুম নাই । আমরা মুসলমানরা আচিপ মগাছাগুদ্দিনেরে কিছু বলার আগেই নাস্তিকেরাই তারে গাইড়া দিলো । প্রতিষ্ঠিত হইলো ''প্রকৃত নাস্তিকতা'' ।
এইবার একটু বিভ্রান্তি খেলি , সুযুগটা তারাই দিছে । এই দুইমুখা সাপগুলা দেখতে দেখতে ঘেন্না ধইরা গেছে । এরা নিজেরাই নিজেগো কোপায় আর নাম দেয় আরেকদলের ।
না আমরা চপাতি ইউজ করিনা । আমাদের ধৈর্য আমাদের চাপাতি । কয়দিন-ই আর বাঁচবি হতভাগা ! এরপর ? জাহান্নাম থেইকা চীৎকার দিয়া কানবি যেনো তোদের খুন করা হয় , কেউ খুন করবেনা । মরারচে ভয়াবহ সেই বাইচা থাকা । দুনিয়ায় মউত চাইতিনা , আর তখন মউত চাইবি আইবোনা । থাক দুইদিন বাইচা থাক বেঈমান ।